तेलই গত এক শতাব্দী ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলার সম্পর্কের অন্যতম প্রধান নিয়ামক। সহযোগিতা থেকে বিরোধ, জাতীয়করণ থেকে নিষেধাজ্ঞা—দুই দেশের সম্পর্কের প্রায় প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ বাঁকে তেলের স্বার্থ জড়িয়ে রয়েছে। সম্প্রতি ভেনেজুয়েলার বিপুল তেলসম্পদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার নতুন এক কৌশলগত অধ্যায় শুরু হয়েছে যা আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলছে।
বিশ্লেষকদের মতে, জ্বালানি নিরাপত্তার প্রশ্নটি মার্কিন নীতিনির্ধারকদের কাছে সবসময়ই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পেয়ে আসছে। লাতিন আমেরিকার এই দেশটির অপরিশোধিত তেলের বিশাল মজুত বৈশ্বিক বাজার নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক টানাপোড়েন এবং অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার পর বর্তমান পরিস্থিতিতে ওয়াশিংটন তাদের জ্বালানি স্বার্থ রক্ষায় আরও বেশি তৎপর হয়ে উঠেছে।
এই প্রেক্ষাপটে ভেনেজুয়েলার তেল খাতের অবকাঠামো এবং উৎপাদন ব্যবস্থার ওপর মার্কিন প্রভাব বৃদ্ধির বিষয়টি বিভিন্ন দেশের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ঘটনা কেবল দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কেই নয়, বরং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ শৃঙ্খল এবং অর্থনৈতিক সমীকরণেও দীর্ঘমেয়াদী পরিবর্তন আনতে পারে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক