মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, গবাদিপশুর জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর লাম্পি স্কিন ডিজিজ (এলএসডি) ছড়িয়ে পড়লে খামারিরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েন। দেশের বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবিত ভাইরাল এলএসডি ভ্যাকসিন এই রোগ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং এর মাধ্যমে দেশের গবাদিপশু সম্পূর্ণ সুরক্ষিত হবে।
প্রাণিসম্পদ খাতের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার সবসময় খামারিদের পাশে রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। বর্তমান বাজারে আমদানীকৃত টিকার উচ্চমূল্য ও প্রাপ্তি নিয়ে নানা ধরনের জটিলতা থাকলেও, দেশীয় প্রযুক্তিতে এই টিকা উৎপাদিত হলে খামারিরা অত্যন্ত সাশ্রয়ী মূল্যে তা সংগ্রহ করতে পারবেন। এতে করে প্রান্তিক পর্যায়ের খামারিরা তাদের গবাদিপশুর স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে পারবেন এবং দেশের আমিরাতের চাহিদা পূরণে বড় ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সময়োপযোগী এই পদক্ষেপটি দেশের ডেইরি শিল্পকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে। গবাদিপশুর এই মারাত্মক ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে দেশীয় টিকার বহুল ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। খুব শীঘ্রই এই টিকা বাজারে উন্মুক্ত করা হবে বলে কৃষিমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক