ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যেই যুদ্ধ সম্পর্কিত তথ্যের গোপনীয়তা আরও বাড়াতে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এই নতুন পদক্ষেপের মাধ্যমে মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সদরদপ্তর পেন্টাগনের অভ্যন্তরীণ কম্পিউটার সিস্টেমে কয়েক দশকের শ্রেণিবদ্ধ বা ক্লাসিফাইড তথ্যে প্রবেশাধিকার আরও সীমিত করা হয়েছে, যা নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নানা জল্পনা ও প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
বিশেষজ্ঞ মহლის মতে, এই সিদ্ধান্তের ফলে সামরিক কৌশল, গোয়েন্দা তথ্য এবং সংঘাতের বিভিন্ন গোপনীয় নথি সাধারণ বা নিম্নস্তরের কর্মকর্তাদের নাগালের বাইরে চলে যাবে। এর মাধ্যমে পেন্টাগন ঠিক কী আড়াল করতে চাইছে, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই ধরনের পদক্ষেপ সামরিক স্বচ্ছতার অভাবকেই বড় করে তুলছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
উল্লেখ্য যে, অতীতেও বিভিন্ন সংঘাতের সময় মার্কিন প্রশাসন তাদের অভ্যন্তরীণ তথ্য সুরক্ষার অজুহাতে গোপনীয়তার পরিধি বাড়িয়েছিল। তবে বর্তমান এই সিদ্ধান্ত এমন এক সময়ে এল যখন মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা রয়েছে। পেন্টাগনের এই রক্ষণশীল নীতি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ও সামরিক গবেষকদের নজর কেড়েছে, যা আগামী দিনে বিশ্ব রাজনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক