মন্ত্রিপরিষদের কোনো সদস্যের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ বা অন্য কোনো নির্দেশ এলে তা কার্যকর করা প্রথাগতভাবে বাধ্যতামূলক বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। তিনি সাংবাদিকদের সামনে এই মন্তব্য করেন এবং সরকারের প্রশাসনিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা ও নিয়মনীতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সরকারের ভেতরের সিদ্ধান্ত এবং প্রশাসনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার ওপর বিশেষ জোর দেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন আরও স্পষ্ট করে জানান যে, সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে কোনো মন্ত্রীর পদত্যাগ সংক্রান্ত নির্দেশনা আসার পর তা দাপ্তরিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে কার্যকর করা হয়। এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তা সংবাদ সম্মেলন ডেকে আনুষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যমকে জানিয়ে দেওয়া হবে। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং বিগত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলের বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ে দেশজুড়ে যখন নানা আলোচনা চলছে, তখন এই ধরনের প্রশাসনিক স্বচ্ছতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন ও রাজনৈতিক সরকারের সমন্বয়ে গঠিত প্রশাসনের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আনার ক্ষেত্রে এ ধরনের পদক্ষেপ ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। এর আগে দীর্ঘদিন ধরে কার্যকরভাবে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এবং নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থას ধ্বংস করার যে অপচেষ্টা চালিয়েছিল, তা থেকে বেরিয়ে এসে একটি জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলার চেষ্টা চলছে। প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের এই বক্তব্যে সরকারের নীতিনির্ধারক মহলের স্বচ্ছ মনোভাবেরই প্রকাশ ঘটেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক