নতুন জাতীয় বেতনকাঠামো বা পে-স্কেল অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন নির্ধারণ তথা পে ফিক্সেশন কার্যক্রম আগামীকাল সোমবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হচ্ছে। রাষ্ট্র পরিচালনার গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি এই কর্মচারীদের আর্থিক নিরাপত্তা ও জীবনযাত্রার মান উন্নত করার লক্ষ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ আগামী ২০ অক্টোবরের মধ্যে এই পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে।
বেতন নির্ধারণের এই প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হওয়ার পর সরকারি চাকুরিজীবীরা নতুন স্কেলের সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। একই সঙ্গে বিগত তিন মাসের বকেয়া বেতনসহ একসাথে তাদের অ্যাকাউন্ট বা নির্ধারিত মাধ্যমে অর্থ পরিশোধ করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। দীর্ঘদিন ধরে মূল্যস্ফীতির বাজারে হিমশিম খাওয়া কর্মচারীদের জন্য এটি একটি অত্যন্ত স্বস্তিদায়ক খবর হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
অর্থ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা গণমাধ্যমকে জানান, পে ফিক্সেশনের কাজ যাতে কোনো ধরনের দীর্ঘসূত্রিতা ছাড়াই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন হয়, সেজন্য মাঠ পর্যায়েও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরগুলোকে এ বিষয়ে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে যাতে কর্মচারীদের প্রাপ্য অধিকার নিয়ে কোনো জটিলতার সৃষ্টি না হয়।
বিশ্লেষকদের মতে, সরকারি চাকরিজীবীদের এই বেতন বৃদ্ধি দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে একটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং বাজারে এর একটি সংযোগমূলক ভূমিকা থাকবে। এর আগে কার্যকর নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিভিন্ন সময় কর্মচারীদের দাবি আদায়ে নানা টালবাহানা দেখা গেলেও, বর্তমান প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় প্রক্রিয়াটি গতিশীল করা হয়েছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক