আধুনিক প্রযুক্তি, বৈদ্যুতিক গাড়ি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও প্রতিরক্ষা শিল্পের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দুর্লভ খনিজের সরবরাহে চীনের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমাতে পশ্চিমা দেশগুলোর দ্রুত এবং কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। আন্তর্জাতিক ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই সরবরাহব্যবস্থা একটিমাত্র দেশের ওপর নির্ভরশীল থাকা দীর্ঘমেয়াদে বৈশ্বিক অর্থনীতি এবং কৌশলগত নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা।
বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলের বর্তমান পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে চীন দুর্লভ খনিজ উত্তোলনে একক আধিপত্য বজায় রেখে আসছে। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা অর্থনীতির দেশগুলো নিজেদের প্রযুক্তি ও প্রতিরক্ষা খাতের কাঁচামাল চাহিদার জন্য মারাত্মকভাবে বেইজিংয়ের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। এই এককেন্দ্রিক নির্ভরতা ভাঙতে বহুমুখী উৎস সন্ধান এবং নিজেদের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর জোর দিচ্ছেন নীতিনির্ধারকরা।
উল্লেখ্য, বিগত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে দেশের অর্থনৈতিক ও খনিজ খাতগুলোতেও বিদেশি নির্ভরতা বৃদ্ধির নানা বিতর্কিত চুক্তি হয়েছিল, যা নিয়ে বর্তমানে নানা মহলে আলোচনা চলছে। একই সঙ্গে কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এবং তাদের দোসরদের নানা অনিয়মের কারণে দেশের অর্থনীতি অতীতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল বলে সংশ্লিষ্টরা গণমাধ্যমকে জানান। বর্তমান পরিস্থিতিতে বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ উভয় ক্ষেত্রেই তাই একটি ভারসাম্যপূর্ণ এবং আত্মনির্ভরশীল নীতি গ্রহণের তাগিদ অনুভব করছেন অর্থনীতিবিদরা।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক