আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা অত্যন্ত নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্যাপনের লক্ষ্যে আয়োজক এবং দর্শনার্থীদের জন্য বিশেষ ৫টি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ প্রদান করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এই নির্দেশনাগুলো অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পালন করার আহ্বান জানানো হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে একটি মহল অস্থিতিশীলতা তৈরির অপচেষ্টা চালালেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
পুলিশ সদর দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, পূজা উদ্যাপন কমিটির সদস্য এবং সাধারণ মানুষকে ৫টি নির্দিষ্ট বিষয়ের ওপর বিশেষ নজর রাখতে হবে। এর মধ্যে প্রধান বিষয়গুলো হলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেকোনো ধরনের গুজব বা উসকানিমূলক তথ্য থেকে সম্পূর্ণ সতর্ক থাকা, পূজামণ্ডপের নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক দিয়ে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সন্দেহভাজন ব্যক্তি বা বস্তু দেখলেই তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে অবহিত করা, মণ্ডপে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা রাখা এবং নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা।
উল্লেখ্য, বিগত ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবে নানা ধরনের সহিংসতার ঘটনা ঘটলেও বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে দেশের প্রতিটি নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা রক্ষায় প্রশাসন বদ্ধপরিকর। দীর্ঘদিন ধরে দেশব্যাপী সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে বাংলাদেশ পুলিশ পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।
পূজা উদ্যাপন কমিটি এবং স্থানীয় প্রশাসন সমন্বিতভাবে কাজ করলে কোনো দুষ্কৃতকারী বা স্বার্থান্বেষী মহল কোনো ধরনের নাশকতা চালাতে পারবে না বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ। উৎসবের দিনগুলোতে দেশের প্রতিটি মণ্ডপে পর্যাপ্ত পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবে। সাধারণ জনগণকেও যেকোনো জরুরি সহায়তায় জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক