পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় পায়রা নদীর ভয়াবহ ভাঙন থামছেই না। নদীর অব্যাহত ভাঙনে ইতোমধ্যে আলগী গ্রামের একটি ঐতিহ্যবাহী গোরস্তান, মসজিদ, মন্দির, বিস্তীর্ণ কৃষিজমি এবং শতাধিক বসতবাড়ি সম্পূর্ণ বিলীন হয়ে গেছে। আকস্মিক ও তীব্র এই ভাঙনের ফলে নদী তীরবর্তী সাধারণ মানুষের জীবনে নেমে এসেছে গভীর দুশ্চিন্তা ও চরম অনিশ্চয়তা।
স্থানীয় এলাকাবাসী গণমাধ্যমকে জানান, ভাঙনের মাত্রা এতটাই তীব্র যে মুহূর্তের মধ্যে ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ভাঙন অব্যাহত থাকায় আলগী গ্রামের অবশিষ্ট বসতভিটা ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোও এখন চরম ঝুঁকির মুখে রয়েছে। নতুন করে ঘরবাড়ি হারানোর শঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন সেখানকার শত শত পরিবার। নদী রক্ষা কিংবা ভাঙন রোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।
এদিকে নদীভাঙনের শিকার অসহায় মানুষগুলো দ্রুত স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ এবং ভাঙন কবলিত এলাকা রক্ষায় জরুরি প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের মতে, এখনই যদি কার্যকরী ব্যবস্থা নেওয়া না হয়, তবে পুরো আলগী গ্রামসহ আশপাশের জনপদ মানচিত্র থেকে চিরতরে হারিয়ে যেতে পারে। দ্রুত সময়ের মধ্যে এই সংকটের সমাধান না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক