ভারতের রাজধানী দিল্লিতে এক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এক নারী সাংবাদিককে যৌন হেনস্থার গুরুতর অভিযোগ ওঠার পর তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। এই অনভিপ্রেত ঘটনার প্রতিবাদে এবং অভিযুক্ত দিল্লি পুলিশের সহকারী কমিশনার অর্থাৎ এসিপি বিবেক ভগতের বিরুদ্ধে অবিলম্বে কঠোর আইনি ব্যবস্থা ও মামলা দায়েরের দাবিতে আন্দোলনকারীরা রাজপথে নেমে আসেন। বিক্ষোভ চলাকালীন অভিযোগকারিণীসহ মোট ১৮ জন আন্দোলনকারীকে পুলিশ জোরপূর্বক আটক করেছে বলে জানা গেছে।
সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে এ ধরনের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়া এবং পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ওঠা এমন অনৈতিক অভিযোগের বিষয়টি নিয়ে গোটা ভারতীয় গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ও সংবাদকর্মীরা তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। ঘটনার সূত্রপাত হয় যখন ওই নারী সাংবাদিক তার পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় হয়রানির শিকার হন এবং পরবর্তীতে সুবিচারের দাবিতে সচেষ্ট হন।
ঘটনার সত্যতা উদঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়ে বিভিন্ন সাংবাদিক ইউনিয়ন ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। আটককৃতদের অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়ে বিক্ষোভকারীরা পুলিশের এমন একরোখা আচরণের তীব্র সমালোচনা করেছেন। আইন সবার জন্য সমান—এই স্লোগান সামনে রেখে তারা অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তার দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এই ঘটনার জেরে পুরো দিল্লির আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং নারী সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে বড়সড় প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক