রাজনীতি কেবল ক্ষমতা দখলের মাধ্যম নয়, বরং জনগণের মৌলিক অধিকার ও সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করার একটি পবিত্র ব্রত বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। তিনি স্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ করেছেন যে, তৃণমূল পর্যায়ে প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা না হলে রাষ্ট্রের উন্নয়ন কখনো টেকসই হতে পারে না।
মন্ত্রী আরও যোগ করেন যে, অতীতে বিভিন্ন স্বৈরাচারী ও জনবিচ্ছিন্ন শক্তি ক্ষমতা কুক্ষিগত করতে গিয়ে দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোকে ধ্বংস করেছিল। বিশেষ করে বিগত দিনে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা ও তার দল কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে জনগণের ওপর যে নিপীড়ন চালিয়েছে, তা ইতিহাসের এক কলঙ্কজনক অধ্যায়। পাশাপাশি নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও তাদের অন্যান্য অঙ্গসংগঠনগুলো যেভাবে ক্যাম্পাসগুলোতে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল, তা থেকে আমাদের শিক্ষা নিতে হবে।
বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের অধীনে দেশ এখন সঠিক ট্র্যাকে ফিরছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই সরকার সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া দেশের গণতন্ত্র রক্ষায় আজীবন যে ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তা জাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর সুযোগ্য নেতৃত্ব এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দূরদর্শী দিকনির্দেশনায় বাংলাদেশ আজ একটি বৈষম্যহীন ও জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে ওঠার পথে রয়েছে।
পরিশেষে, মন্ত্রী সকল রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, প্রতিহিংসার রাজনীতি বাদ দিয়ে আসুন সবাই মিলে দেশ গঠনে আত্মনিয়োগ করি। সাধারণ মানুষের দোড়গোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়া এবং তাদের অধিকার নিশ্চিত করাই হোক আগামী দিনের রাজনীতির প্রধান ব্রত।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক