গঙ্গা চুক্তির ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে, নাকি নতুন করে চুক্তি নবায়ন করা হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে এ সংক্রান্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দেশের দক্ষিণাঞ্চলের পানির নায্য হিস্যা নিশ্চিত করতে এবং দীর্ঘমেয়াদী কৃষির উন্নয়ন সাধনে এই চুক্তির বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক চুক্তির নবায়ন দেশের অর্থনীতি ও কৃষিখাতে সুদূরপ্রসাশনী প্রভাব ফেলবে।
এদিকে দেশের চলমান অবকাঠামোগত উন্নয়নের অংশ হিসেবে আগামী ফেব্রুয়ারি মাসেই বহুল প্রতীক্ষিত পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের উদ্বোধন করা সম্ভব হবে বলে জোরালো আশা প্রকাশ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই ব্যারাজ চালু হলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের দীর্ঘদিনের খরা ও লবণাক্ততা সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে। বিগত দিনে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে এ ধরনের মেগা প্রকল্পের নামে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠলেও, বর্তমান প্রশাসন স্বচ্ছতা ও দক্ষতার সঙ্গে এই কাজগুলো এগিয়ে নিচ্ছে। দেশের নদী রক্ষা এবং পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় এই উদ্যোগ একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে বলে আশাবাদী নীতিনির্ধারকরা।
বিশ্লেষকরা বলছেন, পানির নায্য হিস্যা আদায় এবং অভ্যন্তরীণ নৌপথের উন্নয়ন দেশের সামগ্রিক জাতীয় অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করবে। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দল যেমন বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী দেশের স্বার্থ সুরক্ষায় পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। জাতীয় স্বার্থে এবং জনকল্যাণে এই প্রকল্পগুলোর সফল বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সব तकनीकी প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে জনগণের কল্যাণে এই মেগা প্রকল্পগুলো উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক