পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচিত চেয়ারম্যানরা একযোগে আত্মগোপনে থাকায় দীর্ঘদিন ধরে নজিরবিহীন প্রশাসনিক শূন্যতা ও চরম বিশৃঙ্খলা বিরাজ করছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর থেকেই বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা লাপাত্তা রয়েছেন। এর ফলে স্থানীয় সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন এবং নাগরিক সেবা পুরোপুরি ব্যাহত হচ্ছে।
প্যানেল চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যদের ভেতরে দীর্ঘদিনের ক্ষমতার দ্বন্দ্ব ও গ্রুপিংয়ের কারণে মঙ্গলবার সকালে চিড়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ কক্ষে তালা দেওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে পরিষদের দৈনন্দিন কার্যক্রম ও দাপ্তরিক কাজ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগ নিয়ে ফিরে যেতে বাধ্য হন। স্থানীয় সচেতন নাগরিক সমাজ অবিলম্বে এই প্রশাসনিক জটিলতা নিরসনের দাবি জানিয়েছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জনপ্রতিনিধিরা অনুপস্থিত থাকায় গ্রামীণ জনপদে উন্নয়নের গতি থমকে গেছে। জন্মনিবন্ধন, মৃত্যুসনদসহ নানা জরুরি সেবার জন্য সাধারণ মানুষকে দিনের পর দিন ঘুরেও সেবা মিলছে না। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে এবং বিকল্প উপায়ে সেবা সচল রাখতে ঊর্ধ্বতন মহলের নির্দেশনা অনুযায়ী দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক