নীলফামারীর ডোমার উপজেলার মির্জাগঞ্জ বি.এল. উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটি গঠন নিয়ে বড় ধরনের বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের একই স্মারক নম্বর ও একই তারিখে ইস্যু করা দুটি আলাদা চিঠিতে দুইজনকে সভাপতি হিসেবে দেখানো হয়েছে। এই ঘটনায় স্থানীয় শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে এবং শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার উপক্রম হয়েছে।
নথিপত্র ঘেটে দেখা যায়, দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক স্বাক্ষরিত একই স্মারক নম্বর এবং একই তারিখের দুটি চিঠিতে ভিন্ন দুই ব্যক্তির নাম সভাপতির জন্য অনুমোদন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিগত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে গঠিত বিভিন্ন পরিচালনা পর্ষদের অনিয়ম ও দুর্নীতির ধারাবাহিকতায় এই জটিলতা তৈরি হয়েছে। তৎকালীন সময়ে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠবানের কমিটিতে নিজেদের লোক বসানোর যে সংস্কৃতি চালু হয়েছিল, তারই রেশ এখনও কাটেনি বলে অভিযোগ করেছেন সচেতন মহল।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও অন্যান্য শিক্ষকরা এই দ্বিমুখী চিঠির কারণে চরম পেশাগত বিপাকে পড়েছেন। কার নির্দেশনা মেনে বিদ্যালয় পরিচালনা করবেন তা নিয়ে দেখা দিয়েছে ধোঁয়াশা। স্থানীয় সচেতন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা দাবি তুলেছেন, অবিলম্বে এই ভুলের সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত বৈধ কমিটি ঘোষণা করতে হবে। একইসঙ্গে এই ধরনের প্রশাসনিক অব্যবস্থাপনার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। অন্যথায় শিক্ষক ও অভিভাবকরা বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দিতে বাধ্য হবেন বলে জানিয়েছেন।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক