গাজায় ইসরাইলের চলমান ধ্বংসযজ্ঞ ও ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর অব্যাহত নিপীড়নকে কেন্দ্র করে ইউরোপের দেশগুলোর সঙ্গে দেশটির সম্পর্কের চরম টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে। একসময়ে ইউরোপের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত ইসরাইল বর্তমানে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে নানা ধরনের সমালোচনা, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা এবং কূটনৈতিক চাপের মুখে কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। গাজা উপত্যকায় নিরপরাধ মানুষের ওপর চালানো সামরিক অভিযানের কারণে ইউরোপীয় ইউনিয়নের একাধিক প্রভাবশালী দেশের নীতিনির্ধারকরা তেল আবিবের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং তাদের সঙ্গে সম্পর্কের সমীকরণ পুনর্মূল্যায়ন করতে শুরু করেছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, আগামী ২৭ অক্টোবরের আসন্ন নির্বাচন ইসরাইলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতির মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। এই নির্বাচনে ইসরাইলের ক্ষমতায় কারা আসছে এবং নতুন সরকার গঠিত হলে ফিলিস্তিন সংকট ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে সম্পর্কের বরফ গলবে কি না, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে চলছে নানা আলোচনা। বিশেষ করে ইউরোপের সঙ্গে দূরত্ব কমানোর জন্য নতুন নেতৃত্ব কী ধরনের কূটনৈতিক পদক্ষেপ নেবে, তার ওপর নির্ভর করছে মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ ভূরাজনীতি। কূটনৈতিক মহলের মতে, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে ইসরাইলকে তার দীর্ঘমেয়াদি মিত্রদের ধরে রাখতে হলে নীতিগত পরিবর্তন আনতে হবে, যা আসন্ন নির্বাচনের ফলাফলের মাধ্যমেই স্পষ্ট হবে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক