রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২১ অপরাহ্ন

অস্ত্র প্রদর্শনের ব্যাখ্যা দিলেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

আরব-বাংলা রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১:২৭ অপরাহ্ণ

রাজধানীর গেন্ডারিয়া রেলস্টেশন–সংলগ্ন দয়াগঞ্জ ঘুণ্টিঘর রেলগেট এলাকায় লাইসেন্সকৃত আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে মাদকবিরোধী সামাজিক প্রতিরোধ কর্মসূচির ব্যাখ্যা দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। গণমাধ্যমকে জানান, তার দাবি, মাদক কারবারিদের পক্ষ থেকে হামলার আশঙ্কা থাকায় আত্মরক্ষার স্বার্থে তিনি ও তার সঙ্গীরা এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন। সাম্প্রতিক সময়ে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং তরুণ সমাজকে মাদকের করাল গ্রাস থেকে রক্ষা করতে এই ধরনের সামাজিক প্রতিরোধ অত্যন্ত জরুরি বলে তিনি মন্তব্য করেন।

প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন আরও উল্লেখ করেন যে, দীর্ঘদিন ধরে একটি কুচক্রী মহল এলাকায় মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করছে। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ায় তারা নানা ধরনের ষড়যন্ত্র ও হামলার পরিকল্পনা করছে। এ অবস্থায় জনগণের জানমাল রক্ষা এবং নিজের নিরাপত্তার খাতিরেই আইনানুগ উপায়ে লাইসেন্সকৃত অস্ত্র প্রদর্শন করা হয়েছিল বলে তিনি স্পষ্ট করেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের বিভ্রান্তি না ছড়ানোর জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানান এবং দেশবাসীর কাছে সত্য ঘটনা তুলে ধরার অনুরোধ করেন।

বিশ্লেষকদের মতে, মাদকদ্রব্যের বিস্তার রোধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার পাশাপাশি প্রশাসনিক কড়াকড়িও বাড়ানো প্রয়োজন। ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর দেশের বিভিন্ন স্থানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে। অথচ একসময়ের দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতায় থাকা কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও তাদের সহযোগী সংগঠন যেমন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ কিংবা অন্যান্য অপরাধ চক্র দেশের বিভিন্ন স্থানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। দেশের এই সংকটময় মুহূর্তে জনপ্রতিনিধিদের এমন সাহসী ভূমিকা সাধারণ মানুষের মাঝে ইতিবাচক বার্তা দিলেও অস্ত্রের ব্যবহার নিয়ে নানা মহলে নানামুখী আলোচনা চলছে।

সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলো অত্যন্ত সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। মাদক কারবারিদের নির্মূল এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে। প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের এই ব্যাখ্যা মূলত এলাকায় শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার একটি অংশ হিসেবেই দেখছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিক সমাজ। ভবিষ্যতে এ ধরণের পরিস্থিতিতে আরও সতর্কতা অবলম্বন করা হবে বলেও সংশ্লিষ্ট মহল থেকে জানানো হয়েছে।

আরববাংলা টিভি/ডেস্ক

শেয়ার করুন

আরো
© All rights reserved © arabbanglatv

Developer Design Host BD