ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের ভাণ্ডার ধ্বংস করতে টানা তিন দিনের ব্যাপক হামলার পরিকল্পনা তৈরি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন। সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় রয়েছে দেশটির জ্বালানি স্থাপনা এবং সামরিক ঘাঁটিগুলো। তবে এই চূড়ান্ত হামলার বাস্তবায়নের জন্য এখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সবুজ সংকেত ও আনুষ্ঠানিক নির্দেশের অপেক্ষায় রয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই এই নতুন সামরিক পরিকল্পনা আঞ্চলিক রাজনীতিতে বড় ধরনের অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে পারে।
পেন্টাগনের একটি উচ্চপর্যায়ের সূত্র আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকে জানিয়েছে যে, ইরানের পক্ষ থেকে যেকোনো ধরনের উসকানিমূলক পদক্ষেপ বা মিত্র দেশের ওপর আক্রমণ প্রতিহত করতে এই সর্বাত্মক হামলার রূপরেখা প্রস্তুত রাখা হয়েছে। মার্কিন কৌশলবিদরা মনে করছেন, তেহরানের সামরিক সক্ষমতা দীর্ঘমেয়াদে দুর্বল করতে এই ধরনের আকস্মিক ও তীব্র বিমান হামলা অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। তবে হোয়াইট হাউসের তরফ থেকে এখনো কোনো চূড়ান্ত কূটনৈতিক বা সামরিক সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়নি।
অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য শক্তিগুলো এই সম্ভাব্য সংঘাত নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকলেও ওয়াশিংটন এবং তেহরানের মধ্যকার চলমান বাকযুদ্ধ এবং সামরিক প্রস্তুতি পুরো অঞ্চলটিকে এক নতুন যুদ্ধের মোহনায় দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নজিরবিহীন নজরদারির মধ্যেই এখন সবার দৃষ্টি হোয়াইট হাউসের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং ট্রাম্পের চূড়ান্ত নির্দেশের দিকে নিবদ্ধ রয়েছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক