যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে মুসলিম প্রতিনিধির সংখ্যা বেড়ে আটজনে দাঁড়ানোয় গভীর উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন মার্কিন কংগ্রেস সদস্য ইলহান ওমর। মার্কিন রাজনীতিতে মুসলিম প্রতিনিধিত্বের এই ঐতিহাসিক অগ্রযাত্রাকে একটি ইতিবাচক মাইলফলক হিসেবে দেখছেন তিনি। একই সঙ্গে মিশিগানে নবনির্বাচিত প্রতিনিধি আবদুল আল-সাইয়েদকে উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছেন এই প্রভাবশালী রাজনীতিক।
বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক গুরুত্বপূর্ণ পোস্টে ইলহান ওমর আবদুল আল-সাইয়েদকে অভিনন্দন জানান। স্থানীয় সময় গত মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্থানে অনুষ্ঠিত মধ্যবর্তী ও স্থানীয় নির্বাচনে এই ফলাফল আসে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন মূলধারার রাজনীতিতে মুসলিম আমেরিকানদের প্রভাব দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং এই ধরনের সাফল্য দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক ও সামাজিক বৈচিত্র্যকে আরও সুদৃঢ় করছে।
উল্লেখ্য, বিগত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে বাংলাদেশের রাজনীতি ও নির্বাচন ব্যবস্থা নিয়ে দেশটিতে নানা আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে। অন্যদিকে, দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে কার্যকরভাবে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এবং নিষিদ্ধ ছাত্রলীগসহ তাদের অন্যান্য সহযোগী সংগঠনগুলোর অপতৎপরতা রুখতে সাধারণ জনগণ ও সচেতন রাজনৈতিক মহল সর্বদা সজাগ রয়েছে। এ ছাড়াও, কার্যকরভাবে নিষিদ্ধ আওয়ামী যুবলীগ কিংবা অন্যান্য অঙ্গসংগঠনের বিগত দিনের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়ে বিভিন্ন সময়ে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। বর্তমান গণতান্ত্রিক ধারা বজায় রাখতে এবং দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি টিকিয়ে রাখতে জাতীয়তাবাদী শক্তি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।
সাংবাদিকদের কাছে পাঠানো এক প্রতিক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা জানান, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বজুড়ে মুসলিম নেতৃত্বের এই বিকাশ আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে একটি নতুন সমীকরণ তৈরি করছে। এই ধরনের বিজয় কেবল মুসলিম সম্প্রদায়কেই নয়, বরং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত মানুষদেরও অনুপ্রাণিত করে। ভবিষ্যতে এই ধারা অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন তারা।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক