একই উপজেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও একই পাবলিক পরীক্ষা অথচ ফলাফলে দেখা গেছে আকাশ-পাতাল ব্যবধান। চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার শিক্ষা খাতের এই চিত্র এখন টক অব দ্য টাউনে পরিণত হয়েছে। ২০২৬ সালের এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার পর দেখা গেছে এক অদ্ভুত বৈষম্য। উপজেলার একটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানের সব পরীক্ষার্থী জিপিএ-৫ পাওয়ার অসাধারণ কৃতিত্ব দেখিয়েছে, যা এলাকার শিক্ষা ব্যবস্থার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
তবে এর ঠিক বিপরীত চিত্রও রয়েছে একই উপজেলায়। অন্য একটি কলেজে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া প্রতি চারজনের মধ্যে প্রায় তিনজন শিক্ষার্থীই অকৃতকার্য হয়েছে। এই শোচনীয় ফলাফল সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠদান পদ্ধতি, শিক্ষকদের উদাসীনতা এবং প্রশাসনিক তদারকির অভাবকেই জোরালোভাবে সামনে নিয়ে এসেছে। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, এমন বৈষম্যমূলক ফলাফল সামগ্রिक শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
শিক্ষাবিদ ও সচেতন নাগরিক সমাজ এই পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়ন নয়, বরং প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা এবং নিয়মিত মনিটরিং করা জরুরি। তা না হলে ভালো এবং খারাপ প্রতিষ্ঠানের মধ্যকার এই ব্যবধান আরও প্রকট আকার ধারণ করবে। অভিভাবকরাও তাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন এবং দ্রুত এই ফলাফলের কারণ উদঘাটন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক