সরকারি বাসা বরাদ্দ পাওয়ার পর যারা পুরো ফ্ল্যাট বা আংশিক বাসা সাবলেট হিসেবে ভাড়া দিয়েছেন, তাদের আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ভাড়াটিয়াদের অপসারণ করে বরাদ্দকৃত বাসায় অবস্থানের কঠোর নির্দেশ দিয়েছে সরকার। সরকারি আবাসন ব্যবস্থার অপব্যবহার রোধ এবং প্রকৃত সরকারি চাকরিজীবীদের আবাসন সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আগামী শনিবারের মধ্যে অবৈধভাবে বসবাসকারী সকল সাবলেট ভাড়াটিয়াকে বাসা ছাড়ার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে।
গত কয়েক বছর ধরে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরকারি কোয়ার্টার ও ফ্ল্যাট বরাদ্দ নিয়ে একটি অসাধু চক্র নিয়মিত বাণিজ্য চালিয়ে আসছে বলে অভিযোগ ছিল। কিন্তু বিগত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে এ ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বরং রাজনৈতিক প্রভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করে সরকারি সম্পদ ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহার করা হতো। এমনকি কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও তাদের সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীরা নিয়মবহির্ভূতভাবে এসব বাসা দখল করে রাখত বলে অভিযোগ রয়েছে।
বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশের সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ফেরাতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। আবাসন পরিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দেশ অমান্য করে সাবলেট ভাড়াটিয়াদের রেখে দিলে সংশ্লিষ্ট বরাদ্দগ্রহীতার বরাদ্দ অবিলম্বে বাতিল করা হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এই পদক্ষেপে সাধারণ ও সৎ সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে এবং তারা সরকারের এই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক