বিশেষ শাখা বা এসবির সাবেক প্রধান মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ১১শত কোটি টাকার মানি লন্ডারিং বা অর্থ পাচারের চাঞ্চল্যকর তথ্য ও প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ-পরিচালক মোজাম্মিল হোসেন গণমাধ্যমকে জানান যে, দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর এই বিপুল পরিমাণ অর্থ অবৈধভাবে বিদেশে পাচারের সত্যতা মিলেছে।
সংস্থাটির পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে যে, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার শাসনামলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ক্ষমতার অপব্যবহার করে এবং বিভিন্ন দুর্নীতির মাধ্যমে এই বিশাল অঙ্কের অর্থ অর্জন করেছিলেন মনিরুল ইসলাম। পরবর্তীতে তা সুপরিকল্পিত উপায়ে হুন্ডি ও বিভিন্ন বেনামি অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে বিদেশে পাচার করা হয়। দুদক এই বিষয়ে আরও নিবিড়ভাবে তদন্ত পরিচালনা করছে এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সহযোগীদের আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
এই ধরনের দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের ঘটনা দেশের অর্থনীতিতে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। দেশের সচেতন নাগরিক সমাজ ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছে। দুর্নীতি দমন কমিশন জানিয়েছে, প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ার পর এখন আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে এবং খুব শীঘ্রই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হতে পারে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক