যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা নিয়ে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন দেশটির আলোচনাবিরোধী কট্টরপন্থীরা। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন যুদ্ধের আশঙ্কা দিন দিন বাড়ছে। এর ঠিক এই গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তেই দেশটির পারমাণবিক অস্ত্র নীতি এবং কূটনৈতিক কৌশল নিয়ে সরকারের ওপর চাপ বাড়াচ্ছেন তারা।
পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, কেবল প্রেসিডেন্টই নন, বরং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচিরও অভিশংসন দাবি করছেন এই কট্টরপন্থী গোষ্ঠীগুলো। তাদের মতে, পশ্চিমা শক্তির সঙ্গে যেকোনো ধরনের আপোস বা আলোচনা দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ। ফলে তেহরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে তীব্র এক মেরুকরণ তৈরি হয়েছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান আঞ্চলিক সংকটের মধ্যে ইরানের ভেতরে এই রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব দেশটির বৈদেশিক নীতি নির্ধারণে বড় ধরনের জটিলতা তৈরি করতে পারে। একদিকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা নিরসনের তাগিদ, অন্যদিকে অভ্যন্তরীণ কট্টরপন্থীদের চাপ—সব মিলিয়ে এক কঠিন সময় পার করছে বর্তমান ইরানি প্রশাসন।
এদিকে সরকারের পক্ষ থেকে কূটনৈতিক চ্যানেলে উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। তবে কট্টরপন্থীদের এই অনড় অবস্থান প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানের সংস্কারপন্থী ও মধ্যপন্থী এজেন্ডা বাস্তবায়নের পথকে আরও বেশি কণ্টকাকীর্ণ করে তুলছে বলে জানিয়েছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক