ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযান আরও জোরদার করার অংশ হিসেবে চীনা প্রযুক্তির ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাবশালী দেশ সৌদি আরব। রাজধানী রিয়াদের পশ্চিমে অবস্থিত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ আল-দুওয়াদিমি ক্ষেপণাস্ত্র কমপ্লেক্সের সাম্প্রতিক স্যাটেলাইট চিত্রে নতুন স্থাপনা নির্মাণ এবং সামগ্রিক উৎপাদন সক্ষমতা সম্প্রসারণের স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। আন্তর্জাতিক ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই পদক্ষেপ আঞ্চলিক নিরাপত্তা সমীকরণে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
গত কয়েক বছর ধরে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের পক্ষ থেকে সৌদি আরবের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও তেল স্থাপনা লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। এর জবাবে নিজেদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও সুদৃঢ় করতে রিয়াদ দীর্ঘদিন ধরে বৈদেশিক প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করে আসছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে নিজস্ব মাটিতেই উন্নত প্রযুক্তির ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন ও রক্ষণাবেক্ষণের সক্ষমতা অর্জনকে রিয়াদের নীতিগত বড় পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ এবং অস্ত্র সরবরাহের আন্তর্জাতিক জটিলতা এড়াতে সৌদি আরব এখন নিজস্ব প্রতিরক্ষা শিল্প গড়ে তোলার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। চীনের সহায়তায় নির্মিত এই ক্ষেপণাস্ত্র কমপ্লেক্সের সম্প্রসারণ কাজ সম্পূর্ণ হলে রিয়াদের সামরিক শক্তি বহুগুণ বেড়ে যাবে, যা বৈশ্বিক রাজনীতিতেও বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক