পরিবারের স্বচ্ছলতা ফেরাতে পাড়ি জমিয়েছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকায়। প্রবাসে কেটেছে জীবনের ১০ বছরেরও বেশি সময়। কঠোর পরিশ্রম করে ব্যবসার মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করছিলেন শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার পশ্চিম সিড্যা গ্রামের মারুফ বেপারি। কিন্তু সেই প্রবাসজীবনের করুণ সমাপ্তি হলো গুলিতে। বিদেশের মাটিতে প্রাণ হারিয়ে এখন শুধুই শূন্যতা আর কান্না।
দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ওপর হামলা ও ছিনতাইয়ের ঘটনা যেন দিন দিন বেড়েই চলেছে। জীবিকার তাগিদে দেশটিতে গিয়ে এভাবে নিয়মিত ঝরে পড়ছে তাজা প্রাণ। মারুফ বেপারির মৃত্যুর খবরে তার গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার পশ্চিম সিড্যায় শোকের মাতম চলছে। পরিবারে নেমে এসেছে গভীর অন্ধকার। স্বজনদের আহাজারিতে এলাকার বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে।
স্থানীয়রা জানান, মারুফ একজন অত্যন্ত পরিশ্রমী ও শান্ত স্বভাবের মানুষ ছিলেন। পরিবারের অর্থনৈতিক সচ্ছলতা ফেরাতে তিনি প্রবাসে পাড়ি জমান এবং দীর্ঘ এক দশক ধরে সততার সাথে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন। তার এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে স্থানীয় সমাজেও শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
নিহতের পরিবার ও প্রবাসীরা বাংলাদেশ সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন, যেন দ্রুত দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয় এবং মারুফের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হয়। একই সাথে এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত অপরাধীদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক