ভালুকায় মাদক মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি ধরতে গিয়ে স্থানীয় অপরাধীদের অতর্কিত হামলায় তিন পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দমনে পুলিশের নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে এই অভিযান পরিচালিত হয়। অপরাধীদের এমন ধৃষ্টতাপূর্ণ আচরণে স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যেও তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ প্রশাসন জানিয়েছে, এ ধরনের হামলা চালিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মনোবল ভাঙা যাবে না এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে উপজেলার সজনগাঁও গ্রামে কুদ্দুস নামের এক মাদক মামলার চিহ্নিত আসামিকে গ্রেপ্তার করতে গেলে এই অনাকাঙ্ক্ষিত হামলার ঘটনা ঘটে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কুদ্দুস ও তার সহযোগীরা অতর্কিতভাবে লাঠিসোটা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে পুলিশ দলের ওপর চড়াও হয়। আকস্মিক এই হামলায় তিন পুলিশ সদস্য আহত হন। খবর পেয়ে ভালুকা মডেল থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আহত পুলিশ সদস্যদের বর্তমানে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং তাদের অবস্থা উন্নতির দিকে।
এই ঘটনার পর পুরো এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে সাঁড়াশি অভিযান শুরু হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে যে, মাদক ব্যবসায়ী এবং পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলাকারী যেই হোক না কেন, কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, মাদকের বিরুদ্ধে চলমান এই সামাজিক ও প্রশাসনিক আন্দোলনকে সফল করতে হলে এ ধরনের অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক