ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের মুখাবয়ব যুক্ত করে রাবণের কুশপুত্তলিকা পুড়িয়েছেন বিক্ষোভকারীরা। ভোট চুরি, নির্বাচনে অনিয়ম এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক সহিংসতার প্রতিবাদে এই অভিনব কর্মসূচি পালন করা হয়। সাম্প্রতিক সময়ে দেশটিতে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরপেক্ষতা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে এবং বিরোধী দলগুলোর পক্ষ থেকেও তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করা হচ্ছে।
বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেন যে, বর্তমান প্রশাসনিক কাঠামোর অধীনে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে তারা অবিলম্বে নির্বাচন কমিশনের পুনর্গঠন এবং অভিযুক্ত শীর্ষ কর্মকর্তাদের পদত্যাগ দাবি করেন। এই প্রতিবাদ সমাবেশে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন এবং সরকারের একপেশে নীতির বিরুদ্ধে নানা স্লোগান দেন।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করে। তবে কোনো বড় ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। বিক্ষোভকারীরা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, তাদের দাবি মানা না হলে আন্দোলন আরও তীব্র ও দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়বে। গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় এই ধরনের প্রতিবাদ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তারা।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক