তীব্র আর্থিক সংকট ও ঋণের চাপে অনাগত সন্তানকে অন্য পরিবারের কাছে তুলে দেওয়ার কথা ভাবছিলেন ২৪ বছর বয়সী মোসা. আঁখি। সংবাদমাধ্যমে তাঁর এই চরম অসহায়ত্বের মর্মান্তিক খবর প্রকাশের পর অবিলম্বে পরিবারটির পাশে দাঁড়িয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সরকারের পক্ষ থেকে এই দুস্থ পরিবারটিকে সব ধরনের সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, যাতে অনাগত সন্তানকে কোনোভাবেই মায়ের কোলছাড়া হতে না হয়।
জানা যায়, গত কিছুদিন ধরে চরম মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন আঁখি ও তাঁর পরিবার। স্থানীয় কিছু ব্যক্তির প্ররোচনা ও পেটের দায়ে দিশাহারা হয়ে তিনি নিজের গর্ভের সন্তানকে অন্য কারও কাছে হস্তান্তরের মতো কঠিন ও হৃদয়বিদারক সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর দেশজুড়ে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন সচেতন মহল ও সাধারণ মানুষ এই ঘটনার গভীরে গিয়ে পরিবারটির পাশে দাঁড়ানোর আকুল আবেদন জানান।
পরবর্তীতে বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে এলে তিনি দ্রুত মানবিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় স্থানীয় প্রশাসন ও সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে আঁখির পরিবারের খোঁজখবর নেওয়া হয়েছে। তাঁর চিকিৎসাসেবা, পুষ্টি ও নিয়মিত আয়ের ব্যবস্থার জন্য ইতোমধ্যে সরকারি সহায়তা পৌঁছানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এমন দ্রুত ও মানবিক পদক্ষেপে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী ও সুধী সমাজ।
বিশ্লেষকদের মতে, রাষ্ট্র যখন সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এগিয়ে আসে, তখন এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা সমাজ থেকে চিরতরে দূর হওয়া সম্ভব। আঁখির অনাগত সন্তান যেন নিরাপদ ও সুন্দর পরিবেশে এই পৃথিবীতে আসতে পারে এবং তার মায়ের সঙ্গেই বেড়ে উঠতে পারে, এখন সেই ব্যবস্থাই নিশ্চিত করা হচ্ছে সরকারের পক্ষ থেকে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক