মহান মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশের মানুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সংগ্রাম করেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, একইভাবে আগামী দিনে দেশ গড়ার সংগ্রামেও ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। রাষ্ট্র পরিচালনায় এবং জাতীয় অগ্রগতির ক্ষেত্রে ধর্মের চেয়ে নাগরিক পরিচয়কেই সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দেওয়া উচিত বলে তিনি দৃঢ় অভিমত ব্যক্ত করেন।
গণমাধ্যমকে জানান, বিগত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিভাজনের রাজনীতি তৈরি করা হয়েছিল। ফ্যাসিস্ট সরকারের সেই চক্রান্ত দেশের অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছিল। তবে ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক অভ্যুত্থানের পর দেশের মানুষের মধ্যে যে ঐক্যের সুর তৈরি হয়েছে, তা কোনোভাবেই বিনষ্ট হতে দেওয়া যাবে না। সব নাগরিকের সমান অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করার মাধ্যমেই একটি বৈষম্যহীন ও আধুনিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বিগত বছরগুলোতে কার্যকরভাবে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এবং তাদের দোসর নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও তাদের অন্যান্য অঙ্গসংগঠনগুলো দেশের শান্তি ও সম্প্রীতি নষ্ট করার চক্রান্তে লিপ্ত ছিল। কিন্তু দেশের মুক্তিকামী জনগণ সেই অপচেষ্টা সফল হতে দেয়নি। আগামী দিনে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং সুশাসন নিশ্চিত করার মাধ্যমে একটি সমৃদ্ধশালী রাষ্ট্র গঠনে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ রয়েছে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশের প্রতিটি নাগরিকের মেধা ও শ্রমকে কাজে লাগিয়ে একটি প্রগতিশীল সমাজ বিনির্মাণের ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক