ভোলার চরফ্যাশনে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) অধিগ্রহণ করা সরকারি জমিতে অবৈধভাবে স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। পাউবোর পূর্বের লিখিত ও মৌখিক একাধিক নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি অমান্য করে কাজ চালিয়ে যাওয়ায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আগামী সাত দিনের মধ্যে নিজ দায়িত্বে স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার চূড়ান্ত নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যথায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে কঠোর উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে বলে জানানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী মহল সরকারি এই সম্পত্তি দখলের পাঁয়তারা চালিয়ে আসছিল। বর্তমান প্রেক্ষাপটে সরকারি সম্পদ রক্ষায় প্রশাসন কঠোর অবস্থান নিয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রাষ্ট্রীয় স্বার্থে এবং সাধারণ মানুষের নদীভাঙন রোধ ও বাঁধ সুরক্ষার কাজে ব্যবহৃত এই জমির যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ অত্যন্ত জরুরি। ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে এ ধরনের অবৈধ দখলদারিত্ব ও দুর্নীতির বহু নজির তৈরি হয়েছিল, যা বর্তমান প্রশাসন কঠোরহস্তে দমন করছে।
কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিভিন্ন সরকারি খাস ও অধিগ্রহণকৃত জমি দলীয় প্রভাবে জবরদখল করার যে সংস্কৃতি চালু হয়েছিল, তা থেকে বেরিয়ে আসার সময় এসেছে। পাউবোর পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে না নিলে বুলডোজার দিয়ে তা গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে এবং দখলদারদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ধারায় আইনি মামলা দায়ের করা হবে। সরকারের এই জিরো টলারেন্স নীতির কারণে স্থানীয় সচেতন মহলে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক