যুক্তরাজ্যের দক্ষিণাঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবহৃত একটি বিমানঘাঁটিতে হামলার ষড়যন্ত্রের পেছনে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোরের (আইআরজিসি) হাত থাকার জোরালো সন্দেহ করছে ব্রিটিশ সরকার। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনায় ইরানের দুই নাগরিকের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে লন্ডন। তবে শুরু থেকেই এই অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছে তেহরান। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনা মধ্যপ্রাচ্য ও পশ্চিমা বিশ্বের মধ্যকার চলমান কূটনৈতিক সম্পর্কে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে।
সোমবার ব্রিটিশ সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, যুক্তরাজ্যের নিরাপত্তা রক্ষা এবং যেকোনো ধরনের নাশকতামূলক তৎপরতা রোধে তারা অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে রয়েছে। বিমানঘাঁটিতে হামলার এই ষড়যন্ত্রের নেপথ্যে কারা রয়েছে এবং এর আন্তর্জাতিক যোগাযোগ কোথায় বিস্তৃত, তা নিয়ে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো নিবিড়ভাবে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো গণমাধ্যমকে জানান যে, দেশের ভূখণ্ডে যেকোনো ধরনের বিদেশি আগ্রাসন বা ষড়যন্ত্র বরদাশত করা হবে না।
অন্যদিকে, তেহরানের পক্ষ থেকে এই অভিযোগকে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইরানকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য পশ্চিমা দেশগুলো এ ধরনের মিথ্যা ষড়যন্ত্রের নাটক সাজাচ্ছে। এই পাল্টাপাল্টি অভিযোগে দুই দেশের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও অবনতির দিকে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। বৈশ্বিক রাজনীতিতে এই ঘটনা নতুন এক ভূরাজনৈতিক উত্তাপের জন্ম দিয়েছে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বিষয়টির ওপর গভীর নজর রাখছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক