সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৫-এ চূড়ান্তভাবে সুপারিশ পাওয়া বেশিরভাগ প্রার্থীকেই ইতোমধ্যে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে দীর্ঘ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরেও তাদের একটি বড় অংশ এখনো কাঙ্ক্ষিত নিয়োগপত্র হাতে পাননি। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়া এবং পুলিশ ভেরিফিকেশনসহ অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পরও নিয়োগপত্র না পাওয়ায় চাকরিতে যোগদান নিয়ে গভীর অনিশ্চয়তা ও মানসিক উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন ভুক্তভোগী প্রার্থীরা। সংশ্লিষ্ট মহলের উদাসীনতা ও প্রশাসনিক দীর্ঘসূত্রিতাকেই এই জটিলতার জন্য দায়ী করছেন তারা।
নিয়োগপত্র না পাওয়া এমন একজন ভুক্তভোগী হলেন রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা আবদুল্লাহ আল মামুন। গণমাধ্যমকে জানান, দীর্ঘ প্রস্তুতি ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে চূড়ান্তভাবে মেধা তালিকায় স্থান পাওয়ার পরও শুধুমাত্র দাপ্তরিক জটিলতার কারণে তার মতো শত শত প্রার্থীর ভবিষ্যৎ আজ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই জটিলতার অবসান ঘটিয়ে চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত সব প্রার্থীর হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন তারা। অন্যথায় কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক