কাতার কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে সর্বদা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেবে। কারণ পর্দার আড়ালে কূটনৈতিক যোগাযোগই আঞ্চলিক শান্তি ও অগ্রগতির সবচেয়ে কার্যকর পথ হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। চলমান সংকটের সমাধানে দুই পক্ষ কীভাবে সামনে এগিয়ে যেতে পারে, সে বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে এবং ইরানকেও সর্বোচ্চ সহযোগিতা ও পরামর্শ দেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাবশালী দেশ কাতার।
মঙ্গলবার ব্রিটিশ সাংবাদিক পিয়ার্স মরগানের সঙ্গে এক বিশেষ আলাপকালে কাতারের পক্ষ থেকে এই কূটনৈতিক তৎপরতার কথা তুলে ধরা হয়। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার উত্তেজনা হ্রাসে দোহার এই মধ্যস্থতার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে দীর্ঘকাল ধরে কাতার একটি বিশ্বস্ত মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিজেদের অবস্থান শক্ত করেছে এবং দুই শক্তির সংঘাত এড়াতে তারা নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছে।
উল্লেখ্য, বিগত বছরগুলোতে বিভিন্ন জটিল আন্তর্জাতিক সংকটে কাতার সফলভাবে মধ্যস্থতা করে বিশ্ববাসীর নজর কেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যকার বর্তমান আস্থার সংকট কাটাতেও দোহা পর্দার আড়ালে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক মহলের ধারণা, দুই দেশের নীতিনির্ধারকদের টেবিলে ফিরিয়ে আনতে কাতার সরকারের এই সদিচ্ছা এবং ধারাবাহিক প্রচেষ্টা ভবিষ্যতে ইতিবাচক কোনো ফলাফল বয়ে আনতে পারে, যা পুরো অঞ্চলের স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক