ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সমস্ত সীমা অতিক্রম করেছেন বলে কড়া বার্তা দিয়েছে কাতার। যখন যুদ্ধরত পক্ষগুলোর মধ্যে মধ্যস্থতা করছিল দোহা এবং তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাব বাস্তবায়নে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চলছিল, ঠিক সেই গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে ইসরাইল কাতারে হামলা চালায়। মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই আক্রমণ মধ্যস্থতার প্রচেষ্টাকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
সম্প্রতি পিয়ার্স মরগ্যান আনসেন্সরড অনুষ্ঠানে এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা উঠে এসেছে। কাতারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, আঞ্চলিক শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং বন্দি বিনিময় চুক্তির ক্ষেত্রে দোহা সবসময় ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে আসছে। অথচ ইসরাইলি প্রশাসনের দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ শান্তি প্রক্রিয়াকে চরম অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত এই বিষয়ে অবিলম্বে হস্তক্ষেপ করা এবং যুদ্ধাপরাধের পরিসমাপ্তি ঘটানো।
উল্লেখ্য, বর্তমান বৈশ্বিক রাজনীতিতে মধ্যপ্রাচ্যের সংকট নিরসনে কাতার দীর্ঘদিন ধরে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে। কিন্তু ইসরাইলের একের পর এক আগ্রাসী নীতি এবং আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। কাতারের এই কঠোর বার্তার পর আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনার ঝড় উঠেছে এবং নেতানিয়াহু প্রশাসনের একরোখা নীতি নিয়ে বিশ্বজুড়ে সমালোচনা তীব্রতর হচ্ছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক