পাবনা সদর উপজেলার ভজেন্দ্রপুর গ্রামের জামিয়া ফারুকিয়া মাদ্রাসায় আবাসিক এক নুরানী শ্রেণির ছাত্রকে গভীর রাতে ঘুম থেকে ডেকে নিয়ে বলাৎকারের চেষ্টার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এই জঘন্য ঘটনার পর এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও সচেতন নাগরিক সমাজ এই ঘটনার দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছেন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর মা বাদী হয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষককে গ্রেপ্তার করে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে এবং অভিযুক্ত শিক্ষককে কঠোর আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ঘটনার দিন রাতে ওই মাদ্রাসার আবাসিক কক্ষ থেকে ঘুমন্ত শিশুটিকে কৌশলে ডেকে নেন অভিযুক্ত শিক্ষক। এরপর তাকে জোরপূর্বক অনৈতিক কাজে বাধ্য করার চেষ্টা চালান ওই শিক্ষক। শিশুটি কান্নাকাটি ও চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসেন এবং তাকে উদ্ধার করেন। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
সাংবাদিকদের কাছে স্থানীয়রা জানান, এই ধরনের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে এমন ঘৃণ্য অপরাধ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এ ঘটনার পেছনে অন্য কোনো মদদদাতা আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন তারা। প্রশাসন জানিয়েছে, শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং এ ধরনের অপরাধ দমনে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বদা কঠোর অবস্থানে রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক