এই মঞ্চ থেকেই এক দিন আগে ইরানকে ধ্বংস করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ২৪ ঘণ্টা পর একই জায়গায় দাঁড়িয়ে তার জবাব দিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকে জানান যে, মার্কিন নীতির বিরুদ্ধে তেহরান অনড় অবস্থানে রয়েছে।
ভাষণ দেওয়ার সময় ইরানের প্রেসিডেন্ট কয়েকটি শিশুর ছবি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এসব শিশু মার্কিন ও ইসরাইলি অস্ত্রের শিকার হয়েছে এবং তাদের এই নির্মম পরিণতি গোটা মানবসভ্যতার জন্য এক কলঙ্কজনক অধ্যায়। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মধ্যে এই পালটাপালটি বক্তব্য বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন করে শঙ্কার সৃষ্টি করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান এই কথার লড়াই বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূরাজনীতিতে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীতে নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে উভয় পক্ষের কঠোর অবস্থানের কারণে যুদ্ধের শেষ পরিণতি নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটছে না।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক