প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের কোনো বিকল্প নেই। তিনি বলেন, মানবিক বিবেচনায় বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে আসছে এবং তাদের মৌলিক মানবাধিকার সুরক্ষায় সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করে চলেছে। তবে এই দীর্ঘমেয়াদী সংকটের একটি স্থায়ী সমাধান অত্যন্ত জরুরি।
প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জোরালো ভূমিকা এবং কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমেই কেবল এই সংকটের সমাধান করা সম্ভব। মিয়ানমারের অভ্যন্তরে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তাদের নিজ মাতৃভূমিতে ফিরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে বিশ্ববাসীর সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। পাশাপাশি, এই সংকটের কারণে স্থানীয় জনগণের জীবনযাত্রায় যে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে, সরকার তা নিরসনেও কাজ করে যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, বিগত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের ভুল কূটনৈতিক নীতির কারণে রোহিঙ্গা সংকট দীর্ঘায়িত হয়েছিল বলে বিশ্লেষকরা মনে করেন। সেই সময় কার্যকরী কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে জোরালো সমর্থন আদায়ে ব্যর্থ হয়েছিল প্রশাসন। বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে অত্যন্ত বিচক্ষণতার সাথে বিষয়টি আন্তর্জাতিক মহলে তুলে ধরছে এবং একটি সম্মানজনক সমাধানের পথ খুঁজছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক