দেশের সীমিত সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করে কীভাবে জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর উৎপাদনশীলতা ও সক্ষমতা বাড়ানো যায়, রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট বা আইইডিসিআর তার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। সম্প্রতি স্বাস্থ্য খাতের সার্বিক উন্নয়ন এবং গবেষণা কার্যক্রম আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে আয়োজিত এক গুরুত্বপূর্ণ পর্যালোচনা সভায় তিনি এই অভিমত ব্যক্ত করেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্য খাতের টেকসই উন্নয়ন এবং যেকোনো মহামারী বা জনস্বাস্থ্য সংকট মোকাবেলায় আইইডিসিআর এর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অতীতে বিভিন্ন বৈশ্বিক সংকট ও রোগব্যাধি মোকাবেলায় এই প্রতিষ্ঠানটি যেভাবে নিজেদের পেশাদারিত্ব ও দক্ষতার প্রমাণ রেখেছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। বর্তমান সরকার স্বাস্থ্য খাতের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং গবেষণার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। সীমিত সম্পদ থাকা সত্ত্বেও সঠিক পরিকল্পনা এবং সুশাসনের মাধ্যমে কীভাবে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জন করা সম্ভব, আইইডিসিআর তার একটি আদর্শ মডেল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে।
বৈঠকে উপস্থিত সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা আইইডিসিআরের বর্তমান কার্যক্রম, গবেষণার পরিধি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রীকে বিস্তারিতভাবে অবহিত করেন। তারা গবেষণাগারের আধুনিকায়ন এবং জনবল বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন। প্রতিমন্ত্রী সংশ্লিষ্টদের আশ্বস্ত করে বলেন, গবেষণার মানোন্নয়ন এবং চিকিৎসাবিজ্ঞানে নতুন দিগন্ত উন্মোচনে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, স্বাস্থ্য খাতের সামগ্রিক সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমেই সাধারণ মানুষকে মানসম্মত চিকিৎসাসেবা দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে এবং এই লক্ষ্য অর্জনে সরকার বদ্ধপরিকর।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক