গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে বিরোধী দলের লংমার্চ সংক্রান্ত একটি পোস্ট শেয়ার করার জেরে খন্দকার জালাল উদ্দীন মাহমুদ নামের এক পুলিশ কর্মকর্তা বর্তমানে তীব্র আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে এবং একইসঙ্গে কারণ দর্শানোর নোটিশ বা শোকজ করা হয়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অন্দরে এবং রাজনৈতিক মহলে বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
প্রত্যাহার হওয়া ওই পুলিশ কর্মকর্তা এতদিন অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনারের স্টাফ অফিসার হিসেবে নিজের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। পুলিশের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং সংবেদনশীল বাহিনীর অফিশিয়াল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম পাতা থেকে এ ধরনের রাজনৈতিক কর্মসূচি বা লংমার্চের পোস্ট শেয়ার করার বিষয়টি কোনোভাবেই পেশাদারিত্বের মধ্যে পড়ে না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা। ঘটনার গুরুত্ব অনুধাবন করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
সাংবাদিকদের কাছে পাঠানো এক প্রতিক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানান যে, পুলিশ বাহিনীর কোনো সদস্য ব্যক্তিগত বা পেশাগত জায়গায় নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে বাধ্য। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপব্যবহার বা নিয়মবহির্ভূত কোনো কার্যক্রমের ক্ষেত্রে শূন্য সহনশীলতা নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। এই ঘটনার মাধ্যমে অন্য কর্মকর্তাদের মধ্যেও কঠোর বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে যেন পেশাগত দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্ব বা অসতর্কতা না ঘটে। তদন্ত সাপেক্ষে ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পরবর্তী বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে জানা গেছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক