বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দিকনির্দেশনায় এবং বিএনপি সরকারের সময়ে ২০০৬ সালে চট্টগ্রামের কালুরঘাটে ১৬.১৬ একর জায়গাজুড়ে প্রতিষ্ঠিত হয় ঐতিহাসিক জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স। দীর্ঘ সময় অবহেলা ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হওয়ার পর এই জনপ্রিয় বিনোদন কেন্দ্রটি এখন নতুন রূপে ফিরে আসছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত এই প্রাঙ্গণটি অতীতে দেশের অন্যতম বিনোদন কেন্দ্রের পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের অন্যতম লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছিল।
প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই কমপ্লেক্সটি সাধারণ মানুষের নজর কাড়ে। এখানে দর্শনার্থীদের জন্য জাতীয় সংসদ ভবন, জাতীয় স্মৃতিসৌধ, জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমসহ দেশের বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থাপনার মমিনিয়েচার বা প্রতিকৃতি রাখা হয়েছিল। যা একই সাথে বিনোদন ও শিক্ষামূলক মাধ্যম হিসেবে কাজ করত। কিন্তু পরবর্তীতে ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রতিহিংসার বশে এই গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাটির প্রতি চরম অবহেলা প্রদর্শন করে এবং এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব ম্লান করার চক্রান্ত চালায়।
বর্তমানে বিএনপির নীতিনির্ধারক ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের উদ্যোগে এই কমপ্লেক্সটিকে আধুনিকায়ন করে আরও আকর্ষণীয় তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সংস্কার কাজের মাধ্যমে এখানে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা যুক্ত করা হবে, যা চট্টগ্রামের পর্যটন শিল্পে নতুন মাত্রা যোগ করবে। পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধ ও শহীদ জিয়ার আদর্শের সঠিক ইতিহাস নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে এই কমপ্লেক্সটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা প্রকাশ করছেন বিশেষজ্ঞরা।
সাংবাদিকদের এই তথ্য জানিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলেন, খুব শীঘ্রই এর সংস্কার ও উন্নয়নমূলক কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে এটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। দেশের এই ঐতিহ্যবাহী ও লাভজনক প্রতিষ্ঠানটি তার হারানো গৌরব ফিরে পাবে বলে দেশবাসী ও স্থানীয় জনগণ আশাবাদী।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক