ক্যারিবীয় সাগরে একটি সন্দেহভাজন নৌযানে সামরিক হামলা চালিয়ে চারজনকে হত্যা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। গত শনিবার সংঘটিত এই রক্তক্ষয়ী হামলার পর মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, ওই নৌযানটি আন্তর্জাতিক মাদক পাচার চক্রের সাথে সরাসরি জড়িত ছিল এবং এই বিষয়ে তাদের কাছে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্য আগে থেকেই মজুত ছিল। মার্কিন সাউদার্ন কমান্ডের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমকে জানানো হয় যে, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও মাদক চোরাচালান রোধে তাদের এই কঠোর সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকবে।
বিশ্লেষকদের মতে, লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চল থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মাদক চোরাচালান রোধে ওয়াশিংটন দীর্ঘদিন ধরে কড়া অবস্থান নিয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন এর আগেও এ ধরনের কার্যক্রমে জড়িত ব্যক্তিদের ‘মাদক-সন্ত্রাসী’ হিসেবে চিহ্নিত করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল। বর্তমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই ধরনের সামরিক পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই ধরনের বিচারবহির্ভূত বলপ্রয়োগের সমালোচনা করলেও মার্কিন প্রশাসন তাদের অবস্থানে অনড় রয়েছে। আন্তর্জাতিক মাদক সিন্ডিকেটগুলোর বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযান আঞ্চলিক রাজনীতি ও নিরাপত্তার ওপর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক