দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সারা দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ১ হাজার ২৩২ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, বর্ষা মৌসুমের এই সময়ে এডিস মশার বংশবিস্তার রোধে স্থানীয় সরকার ও সিটি কর্পোরেশনগুলোকে আরও জোরালো ভূমিকা পালন করতে হবে। বিগত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে স্বাস্থ্য খাতের অব্যবস্থাপনা এবং ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে দীর্ঘমেয়াদী কার্যকর পদক্ষেপের অভাবে আজও সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। চিকিৎসকরা বলছেন, শুধু হাসপাতালে চিকিৎসা দিয়ে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়, এর জন্য প্রয়োজন সমন্বিত মশা নিধন অভিযান এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধি।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মোট রোগীর সংখ্যা এবং মৃতের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর আগে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার শাসনামলে ডেঙ্গু ডেটার পরিসংখ্যান লুকানোর যে সংস্কৃতি চালু হয়েছিল, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তা থেকে বেরিয়ে এসে স্বচ্ছতা বজায় রাখার চেষ্টা করছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে সাধারণ জনগণকে জ্বর অনুভূত হলেই দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার এবং পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বাসা-বাড়ির আশপাশে জমে থাকা পানি পরিষ্কার রাখার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে যাতে এডিস মশার লার্ভা জন্ম নিতে না পারে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক