আজ স্থানীয় সময় সকাল ৯টার দিকে বাংলাদেশের বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলার আগ্রহ প্রকাশ করেছিল চীন। কূটনৈতিক ও ক্রীড়া অঙ্গনের পারস্পরিক আলোচনার ভিত্তিতে সেই প্রীতি ম্যাচটিতে অংশ নিতে পূর্ণ সম্মতি জানিয়েছিল বাংলাদেশ দল। নির্ধারিত সময় মেনেই অত্যন্ত উৎসাহ ও উদ্দীপনার সাথে বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়েরা নির্দিষ্ট ভেন্যুতে উপস্থিত হন। তবে মাঠে গিয়ে তাদের মুখোমুখি হতে হয় সম্পূর্ণ এক অপ্রত্যাশিত ও হতাশাজনক পরিস্থিতির। মাঠের কিউরেটর সরাসরি জানিয়ে দেন যে, আজ কোনো ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে না এবং স্পষ্ট ভাষায় উচ্চারণ করেন খেলা হবে না।
এই আকস্মিক ঘটনায় বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড় এবং টিম ম্যানেজমেন্টের মাঝে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে এ ধরনের ঘটনা অত্যন্ত বিরল এবং অনভিপ্রেত। শেষ মুহূর্তে এমন বাধার মুখে পড়ে বাংলাদেশ দল মাঠেই দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করে এবং পরবর্তীতে ড্রেসিংরুমে ফিরে যেতে বাধ্য হয়। কীভাবে এবং কার নির্দেশে এই প্রীতি ম্যাচটি বাতিল করা হলো, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে কোনো সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। সংশ্লিষ্ট ক্রীড়া বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের অব্যবস্থাপনা আন্তর্জাতিক ক্রীড়া কূটনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এবং ভবিষ্যতে এই ধরনের প্রীতি ম্যাচ আয়োজনের ক্ষেত্রে উভয় দেশের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা উচিত।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক