ইতালির ত্রিয়েস্তে শহরের উপকূলে রয়েছে ব্যতিক্রমী এক সমুদ্রসৈকত লা ল্যানতার্না, স্থানীয়দের কাছে যা এল পেদোচিন নামে পরিচিত। এক শতকেরও বেশি সময় ধরে চলে আসা এই সৈকতে নারী ও পুরুষদের জন্য আলাদা অংশ রয়েছে। দুই অংশের মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ১০ ফুট উঁচু সাদা দেয়াল। মাত্র ১ দশমিক ২০ ইউরো প্রবেশমূল্যের এই সৈকতটি ইউরোপের অন্যতম প্রাচীন এবং ঐতিহ্যবাহী বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
১৯০৩ সাল থেকে চালু থাকা এই সৈকতটি তার স্বকীয়তা আজও বজায় রেখেছে। আধুনিকতার ছোঁয়া লাগলেও এখানকার নিয়মকানুন ও সামাজিক মূল্যবোধে পুরনো ঐতিহ্যর প্রভাব স্পষ্ট। প্রাচীরের এপারে নারীরা এবং ওপারে পুরুষরা রোদ পোহান ও সমুদ্রের জলে স্নান করেন। স্থানীয় বাসিন্দারা এই ব্যবস্থার সঙ্গে অভ্যস্ত এবং তারা একে নিজেদের সংস্কৃতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে মনে করেন।
বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটকরা এই ব্যতিক্রমী সৈকত দেখতে আসেন এবং এর পেছনের ইতিহাস সম্পর্কে জানার কৌতূহল প্রকাশ করেন। ত্রিয়েস্তে শহরের পর্যটন শিল্পে এই লা ল্যানতার্না সৈকতটি একটি বিশেষ স্থান দখল করে আছে। যুগের পর যুগ ধরে নানা সামাজিক পরিবর্তনের পরেও এই প্রাচীরটি অটুট রয়েছে এবং এটি স্থানীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির এক অনন্য প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক