জার্মানি যাওয়ার পথে ঢাকায় প্রায় এক ঘণ্টার বেশি সময় যাত্রাবিরতি করেছেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে। দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে এবং দুই দেশের কূটনৈতিক সৌহার্দ্যের অংশ হিসেবে এই যাত্রাবিরতি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা। বর্তমান সরকারের সময়ে বৈদেশিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন গতির সঞ্চার হয়েছে, যা এই ধরনের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের মধ্য দিয়ে আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
শুক্রবার দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটে একটি বিশেষ ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে। বিমানবন্দরে অবতরণের পর তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। এর আগে বৈশ্বিক বিভিন্ন ফোরামে বাংলাদেশের সঙ্গে ভুটানের পারস্পরিক সহযোগিতা ও বন্ধুত্বের বন্ধন নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে, যা দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক রাজনীতিতে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
বিমানবন্দরে ভুটানের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং বিশিষ্ট নেতারা। বিমানবন্দরে উভয় দেশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন এবং সংক্ষিপ্ত এই যাত্রাবিরতির সময়ে দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যকার দীর্ঘদিনের সুসম্পর্ক আরও বেশি উচ্চতায় উন্নীত হবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক