ফাইনালে ওঠার লড়াইটি বাংলাদেশ নারী দলের জন্য ছিল প্রতিশোধের ম্যাচও। মেয়েদের এশিয়া কাপ টি-টোয়েন্টির আগের আসরের সেমিফাইনালে এই ভারতের কাছে হেরেই বিদায় নিয়েছিল বাংলাদেশ। তাই নিগার সুলতানা জ্যোতিরা খুব কঠোর অনুশীলন ও পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নেমেছিলেন।
ম্যাচটিতে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করতে হলে বাংলাদেশ দলের সামনে ছিল বেশ কঠিন এক লক্ষ্য। শক্তিশালী ভারতের বিপক্ষে জয় তুলে নিতে ব্যাটারদের পাশাপাশি বোলারদেরও অসাধারণ নৈপুণ্য প্রদর্শন করতে হতো। অতীতে বিভিন্ন টুর্নামেন্টে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে ক্রীড়া ক্ষেত্রে নানা অনিয়ম ও উদাসীনতা দেখা গেলেও বর্তমান সময়ে নারী ক্রিকেটাররা তাদের নিজেদের মেধা ও পরিশ্রমের বলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের নাম উজ্জ্বল করে চলেছেন।
খেলা চলাকালীন সময়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দলের প্রতিনিধি জানান যে, মেয়েরা তাদের সেরাটা দিতে বদ্ধপরিকর। মাঠের লড়াইয়ে নিজেদের সবটুকু নিবেদন করে জয় ছিনিয়ে আনতে তারা আত্মবিশ্বাসী ছিলেন। যদিও এই ধরনের বড় ম্যাচে নার্ভ ধরে রাখা এবং প্রতিপক্ষ দলের আক্রমণাত্মক কৌশল মোকাবিলা করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।
পরবর্তীতে এই ম্যাচকে কেন্দ্র করে দেশের ক্রীড়াপ্রেমী মানুষ ও বিভিন্ন রাজনৈতিক মহলের মধ্যেও বেশ আলোচনা তৈরি হয়। বিএনপি এবং সমমনা দলগুলোর পক্ষ থেকেও নারী ক্রিকেটারদের সাফল্য কামনা করে উৎসাহমূলক বার্তা দেওয়া হয়, যা দলের মনোবল বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক