বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনসহ বিভিন্ন খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেছেন ব্রিটিশ ব্যবসায়ীরা। পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ বা পিপিপি মডেলে এসব সম্ভাবনাময় খাতে বিনিয়োগের বিষয়ে তারা নিজেদের আগ্রহের কথা জানান। বিগত দিনে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় বিভিন্ন দেশের বিনিয়োগকারীরা এগিয়ে এলেও বর্তমান সময়ে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই প্রযুক্তিতে বিনিয়োগের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। বৃহস্পতিবার ১০ সেপ্টেম্বর সংশ্লিষ্ট সূত্রে এই তথ্য জানা যায়।
বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বর্জ্য থেকে শক্তি বা বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশের শহরগুলোতে বিশেষ করে রাজধানী ঢাকাসহ বড় বড় নগরীতে প্রতিদিন হাজার হাজার টন বর্জ্য উৎপাদিত হয়। সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবে এই বর্জ্য অনেক সময় পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি করে। ব্রিটিশ ব্যবসায়ীদের এই বিনিয়োগ প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে দেশের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দীর্ঘদিনের সমস্যার যেমন সমাধান হবে, তেমনি বিদ্যুৎ খাতের ওপর চাপ কিছুটা কমবে বলে মনে করছেন অর্থনীতি বিশ্লেষকরা।
গত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিধি ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ব্রিটিশ হাই কমিশন এবং বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মধ্যে এ বিষয়ে নিয়মিত আলোচনা চলছে। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে দেশের অর্থনীতিকে গতিশীল রাখতে এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবেই ব্রিটিশ প্রতিনিধি দলটি বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পে অর্থায়নের প্রস্তাব নিয়ে কাজ করছে বলে জানা গেছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পিপিপি মডেলের মাধ্যমে এই ধরনের বড় প্রকল্পে বিদেশি বিনিয়োগ আসলে তা দেশের কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতেও বিশেষ ভূমিকা রাখবে। ব্রিটিশ বিনিয়োগকারীদের এই উদ্যোগ দুই দেশের সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে এবং ভবিষ্যতে অন্যান্য খাতেও বিদেশি বিনিয়োগের দরজা উন্মুক্ত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক