সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলে হুথিদের সাম্প্রতিক হামলায় ৭৩ জন বেসামরিক নাগরিক আহত হওয়ার পর ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে কঠোর পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে রিয়াদ। হামলায় সৌদি আরবের কয়েকটি জ্বালানি স্থাপনাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং কোথাও কোথাও আগুন ধরে সাময়িকভাবে কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। সাম্প্রতিক এই উত্তেজনার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে নতুন করে আশঙ্কার মেঘ জমেছে এবং দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা সংঘাত নিরসনের শান্তি প্রচেষ্টা বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে।
আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই হামলা কেবল সৌদি আরবের জ্বালানি নিরাপত্তাকেই হুমকিতে ফেলেনি, বরং গোটা অঞ্চলের স্থিতিশীলতাকে নতুন করে বিপদের মুখে ঠেলে দিয়েছে। রিয়াদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, দেশের সার্বভৌমত্ব এবং সাধারণ মানুষের জীবন রক্ষার্থে তারা যেকোনো মূল্যে এই আগ্রাসনের উপযুক্ত জবাব দেবে। অন্যদিকে হুথি বিদ্রোহীরাও তাদের সামরিক তৎপরতা অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেওয়ায় দুই পক্ষের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ শুরুর আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
উল্লেখ্য যে, বিগত বছরগুলোতে এই সংঘাতে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও আঞ্চলিক শক্তির পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের ভূমিকা নিয়ে নানা আলোচনা হয়েছে। এমনকি স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা কিংবা কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত নিয়ে নানা কূটনৈতিক দেনদরবার হয়েছিল। তবে বর্তমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ইয়েমেন সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় উভয় পক্ষকে সংযত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক