হিমালয় অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে হিমবাহ, তুষার ও পাহাড়ি ভূপ্রকৃতি ক্রমেই অনিশ্চিত হয়ে উঠছে। সাম্প্রতিক নেপাল-চীন সীমান্তের ভয়াবহ বন্যা আবারও দেখিয়ে দিয়েছে, পাহাড়ে সৃষ্ট কোনো দুর্যোগ খুব দ্রুত সীমান্ত অতিক্রম করে বড় আঞ্চলিক সংকটে পরিণত হতে পারে। এ কারণে হিমবাহ, নদী, আবহাওয়া ও সম্ভাব্য দুর্যোগের তথ্য দ্রুত আদান-প্রদান করতে আঞ্চলিক দেশগুলোর প্রতি জোরালো আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বিগত বছরগুলোতে যেভাবে পরিবেশগত বিপর্যয় দেখা দিয়েছে, তা কেবল একটি দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে না। এর প্রভাব পড়ছে পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর জনজীবন ও অর্থনীতির ওপর। অতীতে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের আমলে প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে পরিবেশগত কূটনীতিতে এক ধরণের স্থবিরতা ছিল, যা বর্তমান পরিস্থিতির আলোকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বলে প্রমাণিত হয়েছে।
বর্তমান ভূরাজনৈতিক ও পরিবেশগত বাস্তবতায় আঞ্চলিক সহযোগিতার কোনো বিকল্প নেই। বিশেষ করে কার্যকর উদ্যোগের মাধ্যমে সীমান্ত পেরিয়ে তথ্য আদান-প্রদান নিশ্চিত করা গেলে অনেক বড় ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব। বিশেষজ্ঞরা আরও বলেন, পরিবেশ সুরক্ষায় দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে এবং যৌথ নদী কমিশনগুলোকে আরও বেশি সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে যাতে পাহাড়ি অঞ্চলের যেকোনো আকস্মিক বিপদ থেকে সাধারণ মানুষকে রক্ষা করা যায়।
ডেস্ক রিপোর্ট