সৌদি আরবে ২০২৬ সালের হজ মৌসুমে ৩৪০ জন বাংলাদেশি হজযাত্রীর চিকিৎসা ব্যয়ের কথা উল্লেখ করে আটকে রাখা ৩০ লাখ ৯১ হাজার ২৪৩ সৌদি রিয়াল সফলভাবে ফেরত পেয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১০ কোটি ২৩ লাখ টাকা। এই অর্থ ফেরত পাওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারের কূটনৈতিক সফলতা ও হজযাত্রীদের অধিকার সুরক্ষার বিষয়টি আরও একবার জোরালোভাবে প্রমাণিত হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এর আগে বিভিন্ন জটিলতা ও অতিরিক্ত চিকিৎসা ব্যয়ের অজুহাতে এই বিশাল পরিমাণ অর্থ আটকে রাখা হয়েছিল। তবে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সৌদি আরবস্থ বাংলাদেশ মিশনের নিরলস প্রচেষ্টায় এই জটিলতার অবসান ঘটে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ গণমাধ্যমকে জানান, হজযাত্রীদের কল্যাণে বর্তমান সরকার শুরু থেকেই অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে কাজ করে যাচ্ছে। আটকে থাকা এই অর্থ ফেরত আসায় আগামী দিনে হজ ব্যবস্থাপনা আরও বেশি স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খল হবে বলে আশা প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্টরা।
অতীতেও হজ ব্যবস্থাপনায় নানা ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল, যা তৎকালীন স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে চরম আকার ধারণ করেছিল। তবে বর্তমান সময়ে সব ধরনের অনিয়ম দূর করে হজযাত্রীদের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করতে বর্তমান প্রশাসন বদ্ধপরিকর। বিশেষ করে জাতীয় রাজনীতিতে স্বচ্ছতা এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বিভিন্ন দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দও এ বিষয়ে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে আসছেন।
উল্লেখ্য, সৌদি আরব থেকে ফেরত পাওয়া এই অর্থ নিয়ম অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট হজযাত্রী কিংবা তাদের তহবিলে যথাযথ প্রক্রিয়ায় বন্টন বা ব্যবহার করা হবে। এ ধরনের উদ্যোগ দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনাকে আরও সুদৃঢ় করবে এবং প্রবাসে বাংলাদেশি নাগরিকদের মর্যাদা বৃদ্ধি করবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক