প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারীর একটি ভিডিও বার্তা সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যা নিয়ে বিভিন্ন মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। ওই ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন গত শনিবার সন্ধ্যায় প্রকাশ্যেই আমার দেশ পত্রিকা ছিঁড়ে ফেলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বক্তব্যে তিনি আমার দেশ পত্রিকা এবং এর সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক ভাষা ব্যবহারসহ চরম বিদ্বেষমূলক মন্তব্য করেন। ৩১ অক্টোবর শনিবার প্রকাশিত আমার দেশ পত্রিকার সংবাদ নিয়ে এই অনভিপ্রেত ঘটনা ঘটে বলে গণমাধ্যমকে জানান সংশ্লিষ্টরা।
এই ঘটনার পর জাতীয় প্রেস ক্লাবসহ বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন এবং বুদ্ধিজীবী মহল থেকে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। স্বাধীন গণমাধ্যমের টুঁটি চেপে ধরার অপচেষ্টা হিসেবে এই ঘটনাকে দেখছেন বিশিষ্টজনেরা। তারা বলছেন, একটি দায়িত্বশীল পদে থেকে এ ধরনের আচরণ সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার পরিপন্থী এবং এটি গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করার একটি সুস্পষ্ট বহিঃপ্রকাশ। এই ঘটনার সুনির্দিষ্ট তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিক নেতারা।
অন্যদিকে, কার্যতা নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও গণমাধ্যমের ওপর নানাভাবে দমনপীড়ন চালানো হয়েছিল বলে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। সে সময়ও বিভিন্ন গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর নগ্ন হস্তক্ষেপ করা হয়েছিল। বর্তমান গণতান্ত্রিক পরিবেশে এ ধরনের অসহিষ্ণু আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয় বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিক সমাজ। অবিলম্বে এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলের শুভবুদ্ধির উদয় হবে এবং গণমাধ্যমের স্বাধীন ও নিরপেক্ষ পরিবেশ বজায় থাকবে বলে আশা প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্টরা।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক