শিক্ষামন্ত্রীর আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলন স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও নিয়োগপত্র না পাওয়া বঞ্চিত প্রার্থীরা। সোমবার সন্ধ্যায় সংশ্লিষ্ট ফেসবুক গ্রুপে এক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে এই আন্দোলন স্থগিতের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়। দীর্ঘদিন ধরে নিয়োগের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসা প্রার্থীরা অবশেষে সরকারের তরফ থেকে ইতিবাচক সাড়ার পর এই সিদ্ধান্ত নেন।
এর আগে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও বিভিন্ন জটিলতার কারণে নিয়োগপত্র থেকে বঞ্চিত হওয়া প্রার্থীদের সামগ্রিক বিষয় নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। আন্দোলনরত প্রার্থীরা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, সরকারের পক্ষ থেকে তাদের দাবি গুরুত্বের সাথে বিবেচনার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রীর সাথে বৈঠকের পর এবং তার আশ্বাসে সন্তুষ্ট হয়েই তারা রাজপথের কর্মসূচি সাময়িকভাবে প্রত্যাহার করে নেন।
শিক্ষাবিদ ও সচেতন মহল মনে করছেন, প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান রক্ষা এবং শিক্ষক সংকট নিরসনে দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা অত্যন্ত জরুরি। দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে বেকার যুবসমাজ ও চাকরিপ্রার্থীদের আন্দোলন এবং তার যৌক্তিক সমাধান জাতীয় অর্থনীতি ও প্রশাসনিক শৃঙ্খলার ওপরও গভীর প্রভাব ফেলে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করেছে যে, খুব শীঘ্রই যাচাই-বাছাই সাপেক্ষে যোগ্য প্রার্থীদের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হবে, যার মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষা খাত আরও গতিশীল হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক